আলোচ্য হিসাবে জানতে পারবেন র্যামের সংজ্ঞা, কিভাবে কাজ করে, র্যামের প্রকারভেদ, কি ধরনের ও কোন ব্যান্ডের র্যাম ক্রয় করবেন ইত্যাদি তথ্যাদি।
RAM এর ক্ষেত্রেও একই, এটা এপ্লিকেশন চালানোর জন্য দরকারী ফাইলগুলো নিজের কাছে রাখে যাতে Processor তা খুব সহজে এক্সেস করতে পারে এবং RAM এর Read-Write speed মেমোরি কার্ডের চেয়ে অনেকগুণ বেশি! (সেজন্যই RAM ইউজ করে, নাইলে আমরা মেমোরি কার্ডকে ঠিকই RAM হিসেবে ইউজ করতে চাইতাম) তাই RAM বেশি মানে আপনার ডিভাইসের কাজ করার গতিও ফাস্ট হবে, অনেকেরই ধারনা এটা। শিক্ষক যেমন ব্লাকবোর্ড ছাড়া কোন কিছু লিখতে পারে না, কম্পিউটারও তেমনি র্যাম ছাড়া কোন কিছু লিখতে ও পড়তে পারে না। কম্পিউটার যখন অন হয় তখন কম্পিউটার কাজ করার মতো তথ্য র্যামে এনে তবেই ওপেন হয়। আবার কোন পোগ্রাম রান করলে সেই প্রোগ্রামটা RAM এ এনেই প্রোগ্রামটা ওপেন হয়। যদি কখনো কোন প্রোগ্রাম র্যাম এ লোড করার মতো জায়গা না পায় তবে সেটা ওপেনই হবে না। কাজেই যত বেশী রযাম লাগান ততোই ভাল চলবে আপনার পিসি। এটা একটা অস্থায়ী স্মৃতি ভান্ডার। বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ হয়ে গেলে এই স্মৃতি ভান্ডারের সকল তথ্য মুছে যায়।
২। মনে করি, আপনার মার্ডারবোর্ডের র্যামের বাস স্পীড ১৬৬৬ গিগাহার্টস কিন্তু ক্রয় করলেন ২০০০ গিগাহার্টস। তবুও চলবে। সেখানে বায়োস ১৬৬৬ গিগাহার্টস দেখাবে বাকিটা হাইড রাখবে। অর্থাত বাস স্পীড বেশী হলে সমস্যা নাই।
৩। মনে করি আপনার ৪ জিবি র্যাম প্রয়োজন। ১ম দিকে Transcend ব্যান্ডের ২ জিবি একটি র্যাম ক্রয় করলেন অতপর পরবর্তীতে আপনার পিসির অন্য একটি ব্যান্ডের যেমন Twinmos এর ২ জিবি ক্রয় করলেন। এটা একটা ভূল সিদ্ধান্ত। আপনাকে মনে রাখতে যদি একাধিক র্যাম স্লটে একাধিক র্যাম ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই একই বাস স্পীড ও একই কোম্পানীর হলে ভাল হয়।
৪। বাজারে বেশ কিছু ব্যান্ডের র্যাম আছে যেখানে হিটসিংক সুবিধা যুক্ত রয়েছে। এইগুলোও বেশ ভাল, পিসির তাপমাত্রা হ্রাসে সহায়তা করে। তবে দাম কিছুটা বেশী।
ব্যান্ড অনুযায়ী ওয়ারেন্টি ১ বছরের প্রদান করা হয়। তবে অনেকেই বলে থাকেন লাইফ টাইম ওয়ারেন্টি। এটা কথার মার প্যাঁচ। তার মানেটা হল যতদিন কোম্পানী তাদের উক্ত প্রডাক্ট তৈরি করবে ও বাজারে বিদ্যমান থাকবে শর্ত প্রযোজ্য স্বাপেক্ষে সেখানে উক্ত কথাটি বলা হয়ে থাকে। তবে একটি মজার বিষয় হল প্রসেসরের মত র্যাম সহজে নষ্ট হয়না। ফেইল্যুর হলে হয়ত হাজারে ১০ টা হবে।
তাহলে প্রথমে জেনে নিই RAM কি?
কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো র্যাম(RAM)। বলা চলে এটিই চালায় আপনার প্রিয় যন্ত্রটিকে। গতি কতটুকু হবে সেটা নির্ভর করে এটির ওপর। RAM (Random Access Memory) আমাদের মোটামুটি পরিচিত একটা শব্দ। গেম খেলতে যে পরিমাণ RAM লাগে সেটা পিসিতে না থাকলে বাঁশ খেতে হয়। RAM হল আসলে একটা টেম্পোরারি অদৃশ্য টাইপের স্টোরেজ। অদৃশ্য স্টোরেজ মানে হলো আপনার পিসিতে কোনো কাজ করার সময় যে হিসাব নিকাশ করে তার জন্য দরকারি সব ডাটা ওই র্যাম এ জমা হয়, আর শাট ডাউন করলে সেই RAM এ জমা হওয়া জিনিস সব মুছে যায়।RAM কিভাবে কাজ করে?

RAM এর ক্ষেত্রেও একই, এটা এপ্লিকেশন চালানোর জন্য দরকারী ফাইলগুলো নিজের কাছে রাখে যাতে Processor তা খুব সহজে এক্সেস করতে পারে এবং RAM এর Read-Write speed মেমোরি কার্ডের চেয়ে অনেকগুণ বেশি! (সেজন্যই RAM ইউজ করে, নাইলে আমরা মেমোরি কার্ডকে ঠিকই RAM হিসেবে ইউজ করতে চাইতাম) তাই RAM বেশি মানে আপনার ডিভাইসের কাজ করার গতিও ফাস্ট হবে, অনেকেরই ধারনা এটা। শিক্ষক যেমন ব্লাকবোর্ড ছাড়া কোন কিছু লিখতে পারে না, কম্পিউটারও তেমনি র্যাম ছাড়া কোন কিছু লিখতে ও পড়তে পারে না। কম্পিউটার যখন অন হয় তখন কম্পিউটার কাজ করার মতো তথ্য র্যামে এনে তবেই ওপেন হয়। আবার কোন পোগ্রাম রান করলে সেই প্রোগ্রামটা RAM এ এনেই প্রোগ্রামটা ওপেন হয়। যদি কখনো কোন প্রোগ্রাম র্যাম এ লোড করার মতো জায়গা না পায় তবে সেটা ওপেনই হবে না। কাজেই যত বেশী রযাম লাগান ততোই ভাল চলবে আপনার পিসি। এটা একটা অস্থায়ী স্মৃতি ভান্ডার। বিদ্যুৎ সরবারহ বন্ধ হয়ে গেলে এই স্মৃতি ভান্ডারের সকল তথ্য মুছে যায়।
র্যামের প্রকারভেদ
র্যামের বাসস্পীড কি?

কত জিবির র্যাম আপনি ব্যবহার করবেন?

কোন ব্যান্ডের র্যাম ক্রয় করবেন?

লক্ষ্যনীয় বিষয়
২। মনে করি, আপনার মার্ডারবোর্ডের র্যামের বাস স্পীড ১৬৬৬ গিগাহার্টস কিন্তু ক্রয় করলেন ২০০০ গিগাহার্টস। তবুও চলবে। সেখানে বায়োস ১৬৬৬ গিগাহার্টস দেখাবে বাকিটা হাইড রাখবে। অর্থাত বাস স্পীড বেশী হলে সমস্যা নাই।
৩। মনে করি আপনার ৪ জিবি র্যাম প্রয়োজন। ১ম দিকে Transcend ব্যান্ডের ২ জিবি একটি র্যাম ক্রয় করলেন অতপর পরবর্তীতে আপনার পিসির অন্য একটি ব্যান্ডের যেমন Twinmos এর ২ জিবি ক্রয় করলেন। এটা একটা ভূল সিদ্ধান্ত। আপনাকে মনে রাখতে যদি একাধিক র্যাম স্লটে একাধিক র্যাম ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই একই বাস স্পীড ও একই কোম্পানীর হলে ভাল হয়।
৪। বাজারে বেশ কিছু ব্যান্ডের র্যাম আছে যেখানে হিটসিংক সুবিধা যুক্ত রয়েছে। এইগুলোও বেশ ভাল, পিসির তাপমাত্রা হ্রাসে সহায়তা করে। তবে দাম কিছুটা বেশী।
ব্যান্ড অনুযায়ী ওয়ারেন্টি ১ বছরের প্রদান করা হয়। তবে অনেকেই বলে থাকেন লাইফ টাইম ওয়ারেন্টি। এটা কথার মার প্যাঁচ। তার মানেটা হল যতদিন কোম্পানী তাদের উক্ত প্রডাক্ট তৈরি করবে ও বাজারে বিদ্যমান থাকবে শর্ত প্রযোজ্য স্বাপেক্ষে সেখানে উক্ত কথাটি বলা হয়ে থাকে। তবে একটি মজার বিষয় হল প্রসেসরের মত র্যাম সহজে নষ্ট হয়না। ফেইল্যুর হলে হয়ত হাজারে ১০ টা হবে।
উপসংহার




No comments:
Post a Comment